সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2026 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

...অবশেষে সমাপ্তি

  অবশেষে সমাপ্তি, সকল চাওয়া, সকল অভিযোগ, সকল অভিমান, এবং সকল অপেক্ষার সমাপ্তি।   এটা আমার জীবনের অনেক বড় একটা জার্নি ছিলো। অনেক কিছু শিখলাম অনেক কিছুই পেলাম বিনিময়ে অনেক কিছু ছেড়েও দিলাম.... আমার স্মৃতি আমার পাওয়া অনুভূতি গুলো স্বযত্নে রেখে দিচ্ছি নিজের খুব কাছে।  আমার না পাওয়া, আমার দুঃখ গুলো, আমার প্রশ্ন গুলো, আমার অভিমান গুলো, আমার আক্ষেপ গুলো এই অনুভূতি গুলো এখানেই রেখে চলে যাচ্ছি। সব কিছুর শুরু ছিলো একটি মিষ্টি মধুর কন্ঠস্বরের মাঝে দিয়ে, সমাপ্তিটাও হলো সেই মিষ্টি মধুর কন্ঠস্বরের মাধ্যমেই। এইতো.... অনেক তো লেখা হয়েছে অনুভুতির গল্প এবার না হয় সামনে এগুনো যাক.... এখানে আমি কখনোই আমার সুন্দর অনুভূতি জমা করতে পারিনি, যাবার বেলায় একটা সুন্দর অনুভূতি রেখে যাই- " কাউকে কাছে থেকে না দেখেই এতো সুন্দর অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে এটা আমার আগে কখনোই জানা ছিলোনা। একদিন তাকে বললাম- "কিরে, ঘটনা কি? সামথিং সামথিং?? সে মৃদু হেসে বলেছিলো, নাথিং নাথিং। অবশেষ    ভয়ে ভয়ে বলেই ফেললো, আমি মনে হয় তোকে ভালোবাসি!" কি দারুন একটা অনুভূতি! জীবনের প্রথম আমি দেখেছিলাম কেউ আমার জন্যে শাড়ি পড়ে...

ভীষণ মায়ার সম্পর্ক

  যোগাযোগ আর হবে না তবুও মনে থাকবে, আমাদের মাঝেও একদিন ভীষণ মায়ার একটা সম্পর্ক ছিল, এক সময় তুমি ছিলে আমার প্রতিটা দিনের অভ্যাস আজ তুমি শুধু স্মৃতির ভেতরে আটকে থাকা একটা নাম। আগের মত আর "কেমন আছো?" "কখন আমার সাথে কথা বলবে"? বা অভিমান করে অপেক্ষা হবে না..? তবুও মাঝরাতে হঠাৎ তোমার কথা মনে পড়লে মনটা হয়ত চুপ হয়ে যাবে নিজের অজান্তেই। নির্মমভাবে আচমকাই কিছু সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, দুজনের পথ আলাদা হয়ে যায়, কিন্তু তাদের মায়া শেষ হয় না কখনো। দূরত্ব বাড়ে, কথা বন্ধ হয়, তবুও অনুভূতিগুলো নিঃশব্দে বেঁচে থাকে। হয়তো আমরা আর কখনো এক হবো না তবুও জীবনভর মনে থাকবে খুব শখের কেউ একজন ছিল যার সাথে অদ্ভুত সুন্দর একটা মায়া জড়িয়ে ছিলাম। 

হার্ভেস্ট মুন

গতকাল রাতে হার্ভেস্ট মুন ছিলো, বছরের সবচেয়ে সুন্দর চাদনী রাত।   আমি প্রচন্ড রকম চাদ দেখতে পছন্দ করি, মনে মনে বলি "এতো গৃহত্যাগী জোছনা"  একটা সময় চাদের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি মুধুর কল্পনা করতাম, ভাবতাম একটা সুন্দর চাদ যদি থাকে রাতের নিকষকালো অন্ধকার তখন আর ভয়ংকর লাগেনা, অন্ধকার রাতকেও রঙিন মনে হয়। আমার জীবনের সব থেকে সুন্দর হার্ভেস্ট মুন টাই তো নেই, দূর আকাশের জোছনা আমার অন্ধকার আর কিভাবে ঘুচাবে?? নিকষকালো অন্ধকারে যেখানে আমি নিজেই ডুবে আছি সেখানে রাতের অন্ধকার ঘুচানোতে আমার আর কিচ্ছুই আসে যায়না। দরজা জানালা বন্ধ করে রুমে ফ্লোরে সোফায় হেলান দিয়ে বসে রইলাম..ঘুটঘুটে অন্ধকার-ই তো সব... দূর আকাশের চাঁদটি-কেও যোজন যোজন দূর থেকে দেখা যায়, কিন্তু আমার হার্ভেস্ট মুন?? তাকে কি কখনো দেখা যায়?? কোথায় চিৎকার করে ডাকলে তাকে পাওয়া যাবে?? কোথায় বলতে হবে "আমার জীবনটা অন্ধকারে ছেয়ে গেছে, নিভু নিভু আলো টুকুনোও আর নেই, আমার অন্ধকারে দম বন্ধ হয়ে আসতেছে, আমার ভীষণ রকম কষ্ট হচ্ছে..." আমার হার্ভেস্ট মুন কোথায়??    হ্যা আমি মানসিক ভাবে আর বেচে নেই, আমার সব কিছুই ধীরে ধীরে কোলাপ্স করছে কিন্তু...

বড্ড একা

 😖😖😖 পাহাড় সমান একাকিত্ব আর অসহায়ত্ব আমায় ঘিরে ধরেছে😭😭😭😭 স্লিপিং পিলও আজ পরাজিত............. দিন শেষে এক অসীম শূন্যতাই আমার চিরসঙ্গী হলো।  শেষবারে আকুতি, শেষবারের মতো সেই চিরচেনা সুর আমার কাছে পৌছালো না। আমার শেষ কান্না, শেষ চোখের পানি তার কাছে পৌছাতে পারলো না। জাস্ট ডিলেট হয়ে গেলো আমার সকল কাকুতি মিনতি আর বুক ফাটানো কান্না। কাদতে কাদতে দম বন্ধ হয়ে যাওয়া করুনা টুকু একটি বার্তার কাছে হারিয়ে গেলো। প্রতিবারের মতো আমি আবারও পরিচয় বিহীন এক অনাথ হয়ে বিদায় নিলাম। আমি আবারো শেষ হয়ে গেলাম, আবারো আমি ভেঙে চুরমার হয়ে বিধ্বস্ত হয়ে গেলাম। 💔💔 আল্লাহ আপনি আমার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান, অথবা আমাকে দুনিয়া নামক কারাগার  থেকে চিরকালের জন্য মুক্তি দিন। 😭😭😭😭😭  "I survived all the snakes, but a butterfly killed me."

আমাদের আর কথা হবেনা!

আমাদের আর কথা হবেনা! হবেনা কখনো দেখা। আমি এভাবে কোনোদিন মানতে পারবো না! কখনোও সহ্যে করতে পারবো না। যেটা আমার সহ্যের সীমার বাইরে আমি সেটা নিয়ে আর কখনো একপা এগুতে চাইনা। আমি নিরব দর্শকের ভূমিকাতে আর নিজেকে বসিয়ে রাখতে পারছি না।নিজেকে পৃথিবীর সবথেকে অসহায় মানুষ হিসাবে কল্পনা করে আর নিজের উপর অত্যাচার চালিয়ে যেতেও পারছি না। আমি অনেকটা ক্লান্ত এসবে। এটাই প্রকৃত সত্যি 'তুমি আর আমার নেই'। তুমি আমার! এই মিথ্যা খেলায় নিজেকে যেমন বেধে রাখতে চাইনা, ঠিক তেমনি আমিও চাইনা তোমার জীবনের কাটা হয়ে থাকতে। তোমার সামনের জীবন টা ধ্বংস করতে। যার অধিকার আছে তোমাকে কথা বলার, যার অধিকার আছে তোমাকে নিয়ে বাকিটা পথ চলার, যার অধিকার আছে তোমাকে নিয়ে সংসার বাধার সেই বরং তোমার হোক।  অধিকারবিহীন এক অসহায় মানুষ আমি, তোমার জীবনে আমি এখন এক পরিচয়বিহীন মানুষ। আমার খুব জোড়ে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে, কেন তোমাকে পাওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মালাম না।  হ্যাঁ, আমি তোমাকে পেয়েছি বটে ,তবে আমি এভাবে কখনোই তোমাকে চাইনি, যেখানে তুমি আমার হয়েও তুমি প্রকৃতপক্ষে অন্যের। অন্য কেউ তোমাকে শাসন-বারণ করবে! আমি এমন তোমাকে চাইনা, কখনোই চাই...

তুমিও আমার না, আমিও তোমার না

তুমিও আমার না, আমিও তোমার না। তবুও মন মানে না। মনে হয় তুমি আমারই আছো। তোমার মাঝে বুদ হয়ে থাকি অবিরত। আমি মূর্খ, অকাঠ বুঝিনা। কত কুসংস্কার বিশ্বাস করি অথচ, এই সত্যিটা বিশ্বাস করিনা 'তুমি আর আমার নেই'। © সংগৃহীত 

নিজের সাথে কথোপকথন

সময়— একটি দীর্ঘ রাত, কিছু দীর্ঘশ্বাস এবং নিজের কাছে ফিরে আসার এক অসম্ভব দেরি। আজ নিজের সঙ্গে বসেছি। কোনো অভিযোগ নিয়ে নয়, কোনো হিসাব মেলাতেও নয়—শুধু নিজের কাছে নিজের কিছু অবিচারের গল্প বলতে। রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই মনে হচ্ছে মানুষ আসলে অন্যের কাছে নয়, সবচেয়ে বেশি অপরাধী নিজের কাছেই। দিনের আলোয় যেসব প্রশ্নকে ব্যস্ততার আড়ালে লুকিয়ে রাখা যায়, রাতের নৈঃশব্দ্য সেসব প্রশ্নকে একে একে সামনে এনে বসিয়ে দেয়। একটার পর একটা সিগারেট পুড়ছে। তার সঙ্গে যেন পুড়ছে আমার সত্তাটাও। সত্তার পোড়া গন্ধ অবশ্য নাকে আসছে না; সিগারেটের প্রকট ধোঁয়াই শুধু জানান দিচ্ছে—নিজেকে পুড়িয়ে ফেলারও একটা শব্দহীন ইতিহাস আছে। হয়তো সিগারেটটা আসলে আমার হাতে জ্বলছে না; জ্বলছি আমি—আর ধোঁয়াটা শুধু তার দৃশ্যমান প্রমাণ। ⸻ ভালোবাসার খেলায় আমি জিতেছিলাম, নাকি হেরে গিয়েছিলাম—সে প্রশ্ন এখন অতীতের। বরং আজ অন্য একটি প্রশ্ন আমাকে তাড়া করে— -আমি কি কোনোদিন নিজেকে ভালোবেসেছিলাম? সত্যি বলতে, জানি না। এখন বরং সন্দেহ হয়—হয়তো কোনোদিনই ভালোবাসিনি। যার চোখে আমার জন্য ভালোবাসা দেখেছি, তাকেই সমস্তটুকু দিয়ে ভালোবাসতে গিয়েছি। অথচ একবারও ফিরে তাকাইনি নিজের দ...

যত্ন নিও, এবার আমি আর নেই

  যত্ন নিও, এবার আমি আর নেই! এইবার তুমি আমাকে চিরতরে হারিয়েছো.. আমার ফিরে আসার সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছো। যে মানুষটা একসময় তোমার জন্যে পৃথিবীর সাথে লড়তে পারতো,  আজ সে নিঃশব্দে নিজেকে সরিয়ে নিলো..  ফিরে যাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ। হইতো এটাই আমার শেষ অভিমান! কারন এবার আমি, তোমাকে বোঝার জায়গায়, নিজেকে বুঝিয়ে নিবো...!!

নিজের যত্ন নিও

নিজের যত্ন নিও,, হয়তো আর কোনোদিন তোমাকে জিজ্ঞেস করা হবে না তুমি কেমন     আছো, কী করতাছো, খেয়েছো তো, শরীরটা ঠিক আছে তো এই প্রশ্নগুলো হয়তো আর কোনদিন তোমার ইনবক্সে পৌঁছাবে না কিন্তু বিশ্বাস করো এইগুলো আমার মন থেকে কোনদিন মুছে যাবে না এক সময় তোমার ছোট একটি অসুস্থতার খবরেও আমি অস্থির হয়ে যেতাম। তোমার মন খারাপ থাকলেও নিজেরও ভালো লাগতো না। তুমি ঠিকমতো খেয়েছো কিনা সময় মতো ঘুমিয়েছো কিনা এইসব ভাবনা গুলোই ছিল আমার প্রতিদিনের অভ্যাস। আজ সেই অভ্যাসগুলো শুধু নিরবে স্মৃতি হয়ে আছে। দূরত্ব অনেক কিছু বদলে দেয়, কিন্তু সত্যি কারের যত্ন নেওয়ার ইচ্ছাটা সহজে বদলায় না। আজ আমাদের       অনন্তহীন দূরত্ব। দূরত্বকে সম্মান করাও ভালোবাসার একটি অংশ তবুও যদি কোনদিন হঠাৎ আমার কথা তোমার মনে পড়ে ,শুধু এতটুকুই মনে রেখো একজন মানুষ ছিল যে তোমার হাসির জন্য দোয়া করত, তোমার ভালো থাকার জন্য মন থেকে প্রার্থনা করতো। তাই আমার সাথে কথা না হলেও নিজের যত্ন নিও, কারণ কিছু মানুষ দূরে চলে গেলেও তাদের করা দোয়া গুলো কখনো দূরে যায় না...!! নিজের যত্ন নিও,তুমি আমার অপূর্ণ থেকে যাওয়া  ...

করুনা করে হলেও থেকে যেতে পারতে

  করুনা করে হলেও থেকে যেতে পারতে তুমি চাইলেই সেদিন একটু সাহস দেখাতে পারতে, বলতে পারতে; আমার সাথে ছাড়া তুমি ভালো থাকবেনা কিংবা আমার জন্য করুনা করে হলেও থেকে যেতে পারতে...! তাহলে হয়তোবা জীবনটা এমন হতো না। আমার এই দীর্ঘনিঃশ্বাস ভরা জীবনটা এভাবে বয়ে বেড়াতে হতো না। আমি দিকভ্রান্ত পথিকের মতো ঘুরি, পথে পথে হাটি,  কত বন-বাঁদাড় গ্রাম, শহর ঘুরি অথচ তোমার দেখা পাইনা...

অপূর্ণতার কাছে

 আমি সেটাই হারাই, যেটাকে সবচেয়ে বেশি চাই। হয়তো আমার ভাগ্যের অভিধানে "পাওয়া" শব্দটা নেই— আছে শুধু অপেক্ষা, আর অপেক্ষার শেষে এক মুঠো শূন্যতা। যাদের জন্য হৃদয়ের দরজা খুলেছি, তারা একদিন দরজাটা খোলা রেখেই চলে গেছে। যে স্বপ্নগুলোকে চোখের পাতায় আগলে রেখেছিলাম, ভোর হওয়ার আগেই সেগুলো নিঃশব্দে মারা গেছে। জীবন আমাকে সুখ দেয়নি, দিয়েছে সহ্য করার ক্ষমতা। হাসি দেয়নি, দিয়েছে কান্না লুকানোর অভ্যাস। আর ভালোবাসা? সেটা দিয়েছে— শুধু হারিয়ে ফেলার জন্য। এখন আর কারও কাছে কিছু চাওয়ার সাহস হয় না। কারণ জানি, যা সবচেয়ে আপন মনে হয়, একদিন সেটাই সবচেয়ে দূরের হয়ে যায়৷ তবুও আমি বেঁচে আছি। ভাঙা স্বপ্নের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে, হারানো মানুষের নাম বুকে নিয়ে, অপূর্ণতার সঙ্গে প্রতিদিন একটা নতুন সন্ধি করে । যদি কোনোদিন ঈশ্বর আমাকে জিজ্ঞেস করেন— "তোমার সবচেয়ে বড় পরিচয় কী? আমি মাথা নিচু করে বলব, আমি সেই মানুষ, যে জীবনে সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছে... আর সবচেয়ে বেশি হারিয়েছে।

আমার অনেক জেদ হয়!

আমার অনেক জেদ হয়। তীব্র আকাঙ্ক্ষাগুলো এসে আমাকে জেঁকে ধরে, ভেতরটা অস্থির করে তোলে। আমি হাঁসফাঁস করতে করতে বলি, “তোমাকে আমার দেখতে ইচ্ছে করে।” আমি জেদ করি। আবার কোনো এক নিঃশব্দ রাতে হঠাৎ তোমার কণ্ঠের জন্য বুকটা হাহাকার করে ওঠে, “তোমাকে আমার শুনতে ইচ্ছে করে।” আমি আবার জেদ করি। তোমাকে আমি মন ভরে দেখি, প্রাণ ভরে তোমাকে শুনি আর তখন মনে হয়, এই তো আমার শান্তি। এই তো আমার সমস্ত অস্থিরতার শেষ ঠিকানা। আমার ভেতরে জমে থাকা কত শত জেদ, কত অভিমান, কত না-বলা কথার ভার, তুমি কতবার শুধু একটুখানি হেসে সবকিছু গলিয়ে দিয়েছো! আমার অনেক জেদ হয়! তোমার কণ্ঠ শোনার আকাঙ্ক্ষায় নিঃশব্দে ডুকরে কেঁদে উঠি। তোমার হাসিমুখটা একবার দেখার জেদ আমাকে ভেতর থেকে ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তবুও আমি জেদ করি। আমার অনেক জেদ হয়, আমি তাদের নিজ হাতেই তাদের খুন করি। কিছু আকাঙ্ক্ষাকে নিঃশব্দে কবর দিয়ে দিই। তবুও... আমার অনেক জেদ হয়। আজও হয়।

তোমাকে পাওয়া হলো না শেষ পর্যন্ত—

 তোমাকে পাওয়া হলো না শেষ পর্যন্ত— সময়ের ভাঙা সেতুর ওপারে দাঁড়িয়ে আমি শুধু দেখেছি চাওয়া আর না-পাওয়ার ভিড়ে মানুষ কেমন ধীরে ধীরে একা হয়ে যায়। তুমিও কি হারিয়েছো কাউকে আমার মতো গভীর কোনো সন্ধ্যায়? তুমিও কি ভিড়ের মাঝখানে হঠাৎ থেমে গিয়ে খুঁজে ফিরো একটা পরিচিত মুখ, যে মুখে একসময় পৃথিবীর সব শান্তি ছিল? আমি আজও তোমাকে খুঁজি — বৃষ্টিভেজা জানালায়, নিস্তব্ধ রাতের বাতাসে, পুরোনো মেসেজের অক্ষরে, অথবা কোনো অচেনা মানুষের চোখে হঠাৎ তোমার ছায়া দেখে চমকে উঠি। তুমি কি এখন বুঝো কাউকে হারানোর বেদনা কেমন? কেন রাত গভীর হলে মানুষ নিজের সাথেই কথা বলে? কেন ভেতরে ভেতরে ভেঙে যেতে যেতে তবুও হাসতে হয় সবার সামনে? কেমন আছি আমি- এই প্রশ্নের উত্তর আজকাল আমিও ঠিক জানি না৷ শুধু জানি, তোমার অনুপস্থিতি নামের এক দীর্ঘ শীত এখনও আমার ভেতরে নীরবে তুষার ঝরায়। আর আমি— একটা অসমাপ্ত ভালোবাসার মতো আজও অপেক্ষায় আছি, হয়তো তুমি কোনোদিন ফিরে তাকাবে বলে। তোমাকে পাওয়া হলো না শেষ পর্যন্ত

তুমি আমার হতে পারতে

 তোমাকে পাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই হারালাম, ঠিক যেমন ভোর হওয়ার আগেই রাত তার শেষ তারাটাকে হারিয়ে ফেলে। তুমি ছিলে খুব কাছের এক দূরত্ব, হাত বাড়ালেই ছুঁয়ে ফেলা যায়— কিন্তু ভাগ্য যেন ইচ্ছে করেই আমাদের মাঝখানে কিছু অদৃশ্য দেয়াল তুলে রাখত। আমি তোমাকে কখনো পুরোপুরি পাইনি, তবু হারানোর কষ্টটা পুরো পৃথিবী ভেঙে পড়ার মতো ছিল। কারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি কাঁদে যে স্বপ্নটা সত্যি হতে পারত, সেটা অসম্পূর্ণ থেকে গেলে। তোমার সাথে আমার গল্পটা হয়তো শুরুই হয়েছিল শেষ হওয়ার জন্য। তবু প্রতিদিন মনে হতো— আজ বুঝি সব ঠিক হবে, আজ বুঝি তুমি আমার নামের পাশে একটু থেমে যাবে। কিন্তু না, তুমি ধীরে ধীরে দূরে সরে গেলে, আর আমি দাঁড়িয়ে রইলাম “সম্ভব” শব্দটার ধ্বংসস্তূপে। তোমাকে হারানোর দুঃখ এতটা না, যতটা কষ্ট দেয় এই ভাবনা— একটা সময় তুমি সত্যিই আমার হতে পারতে। তোমাকে পাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই হারালাম, তাই এই হারিয়ে ফেলা কখনো পুরোপুরি মেনে নেওয়া যায় না।

আমি কোথায়.?

আমি কোথায়.?  জীবনের কোন অধ্যায়ে আছি- তা বুঝে উঠতে পারিনা! ভবিষ্যৎ কি নিয়ে আসবে, তাও আমার অজানা। শুধু একটু জানি আমি খুব ক্লান্ত, এই জীবন যুদ্ধ, এই প্রতিদিনের লড়াইয়ে হাঁপিয়ে উঠছি, কখনো নীরবতা এসে ভর করে মনে, কখনো ক্লান্তি, কখনো অভিমান, কিংবা অভিযোগ, নিজেকে খুঁজে পাই না যেন কোথাও হারিয়ে গেছি, জীবনের কোন এক ধাপে, কোন এক ভুল সময়ে, আমি খুব বাজে ভাবে হেরে গেছি, এটাই কি আমার নিয়তি ছিল.?

মানুষের প্রাপ্তি বলে কিছু নেই

মানুষ পৃথিবীতে শুধু হারাতে আসে মানুষের প্রাপ্তি বলে কিছু নেই। মানুষ শুধু হারায় আর হারায় হারাতে হারাতে শূন্যে হয়ে যায়। একটু একটু করে হারায়, স্বপ্ন হারায়, কথা হারায়,  সুখ হারায়, ভালোবাসার মানুষ হারায়। হারাতে হারাতে যেদিন একদম শূন্যে হয়ে যায়, সেদিন মহাকালে নিয়ম অনুযায়ী  পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়... যাকে আমরা মৃত্যু বলি।

Mourn the grave of our unfinished love

  One day I’ll return as a cold, relentless rain, Falling where your memories still whisper my name. You’ll stand beneath the storm, drowning in regret, Holding on to a ghost you cannot forget. The clouds will speak the grief we never shared, The silence will reveal how much you cared. And every tear the heavens shed above, Will mourn the grave of our unfinished love.

প্লিজ নিজের খেয়াল রেখো

  কেন এতো দিন পরে, আজ তোমায় মনে পরে,  আমি কাঁদি নতুন করে, সে তোমার ছবি ধরে। আমার লাগছে যে অসহায়, একলা এই না ঘরে তুমি রেশমি বিছানায়, ডুবে আছো কার আদরে। আজ তুমি রাতের তারা, তবু আমি আলোহারা তোমায় দেয় কে পাহারা, আমি দূরে দিশেহারা। আমার হয়না ছোঁয়া তোমায়, স্বপ্ন কেনার দরে তুমি নতুন ঠি’কানায়, সুখ খোঁজো কার গভীরে। আজ বলবো কি যে তোমায়, তুমি অনেক ভালো থেকো, আমি আমার মতো না হয় প্লিজ, নিজের খেয়াল রেখো। অনেক ভালো থেকো প্লিজ, নিজের খেয়াল রেখো, নিজের খেয়াল রেখো।

অবশেষে সারাজীবনের জন্যে যে তোমারে পেল, সে যেন তোমাকে আগলে রাখে ভীষন যত্নে

অবশেষে সারাজীবনের জন্যে যে তোমারে পেল, সে যেন তোমাকে আগলে রাখে ভীষন যত্নে। আমি ভাঙাচোরা মানুষ তোমারে ছোঁয়ার সাধ্যে আমার হয়ত কখনোই ছিলো না।  তবুও স্বপ্ন দেখে গিয়েছিলাম তোমারে নিজের করে পাওয়ার। আমি হতভাগা এতোই কমদামি স্বপ্ন কেনার দামদরে তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি। যে তোমাকে জিতে নিলো সে যেন তোমারে ভালোবাসার কমতি বুঝতে না দেয়। আমি চাই না ভালোবাসার কমতি পড়লে তুমি আমাকে মনে করো। তুমি যখনই আমাকে মনে করবে তোমার দুঃখ হবে আমার জন্য। আমি চাই তুমি সুখী থাকো আজীবন, দুঃখ তোমারে মানায় না। যার কারনেই ভালো থেকো, কারন তুমি ভালো না থাকলে আমার এতো বিসর্জন এতো দীর্ঘশ্বাস -সব বিফলে যাবে। আমার ভালোবাসার দিকে তাকিয়ে হলোও তুমি ভালো থেকো.....।

অসীম শূন্যতা আমাকে আকড়ে ধরো.........

  আমাকে এভাবে পরাজিত করা হলো??? এভাবে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হলো?? আমার কি একটা সুযোগও পাওয়ার ছিলো না?? অসীম শূন্যতা আমাকে আকড়ে ধরো, আজ এই শূন্যতার মাঝে পৃথিবীর তুচ্ছতম মানুষটি বিলীন হয়ে যাক...