সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যত্ন নিও, এবার আমি আর নেই

  যত্ন নিও, এবার আমি আর নেই! এইবার তুমি আমাকে চিরতরে হারিয়েছো.. আমার ফিরে আসার সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছো। যে মানুষটা একসময় তোমার জন্যে পৃথিবীর সাথে লড়তে পারতো,  আজ সে নিঃশব্দে নিজেকে সরিয়ে নিলো..  ফিরে যাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ। হইতো এটাই আমার শেষ অভিমান! কারন এবার আমি, তোমাকে বোঝার জায়গায়, নিজেকে বুঝিয়ে নিবো...!!

নিজের যত্ন নিও

নিজের যত্ন নিও,, হয়তো আর কোনোদিন তোমাকে জিজ্ঞেস করা হবে না তুমি কেমন     আছো, কী করতাছো, খেয়েছো তো, শরীরটা ঠিক আছে তো এই প্রশ্নগুলো হয়তো আর কোনদিন তোমার ইনবক্সে পৌঁছাবে না কিন্তু বিশ্বাস করো এইগুলো আমার মন থেকে কোনদিন মুছে যাবে না এক সময় তোমার ছোট একটি অসুস্থতার খবরেও আমি অস্থির হয়ে যেতাম। তোমার মন খারাপ থাকলেও নিজেরও ভালো লাগতো না। তুমি ঠিকমতো খেয়েছো কিনা সময় মতো ঘুমিয়েছো কিনা এইসব ভাবনা গুলোই ছিল আমার প্রতিদিনের অভ্যাস। আজ সেই অভ্যাসগুলো শুধু নিরবে স্মৃতি হয়ে আছে। দূরত্ব অনেক কিছু বদলে দেয়, কিন্তু সত্যি কারের যত্ন নেওয়ার ইচ্ছাটা সহজে বদলায় না। আজ আমাদের       অনন্তহীন দূরত্ব। দূরত্বকে সম্মান করাও ভালোবাসার একটি অংশ তবুও যদি কোনদিন হঠাৎ আমার কথা তোমার মনে পড়ে ,শুধু এতটুকুই মনে রেখো একজন মানুষ ছিল যে তোমার হাসির জন্য দোয়া করত, তোমার ভালো থাকার জন্য মন থেকে প্রার্থনা করতো। তাই আমার সাথে কথা না হলেও নিজের যত্ন নিও, কারণ কিছু মানুষ দূরে চলে গেলেও তাদের করা দোয়া গুলো কখনো দূরে যায় না...!! নিজের যত্ন নিও,তুমি আমার অপূর্ণ থেকে যাওয়া  ...

করুনা করে হলেও থেকে যেতে পারতে

  করুনা করে হলেও থেকে যেতে পারতে তুমি চাইলেই সেদিন একটু সাহস দেখাতে পারতে, বলতে পারতে; আমার সাথে ছাড়া তুমি ভালো থাকবেনা কিংবা আমার জন্য করুনা করে হলেও থেকে যেতে পারতে...! তাহলে হয়তোবা জীবনটা এমন হতো না। আমার এই দীর্ঘনিঃশ্বাস ভরা জীবনটা এভাবে বয়ে বেড়াতে হতো না। আমি দিকভ্রান্ত পথিকের মতো ঘুরি, পথে পথে হাটি,  কত বন-বাঁদাড় গ্রাম, শহর ঘুরি অথচ তোমার দেখা পাইনা...

অপূর্ণতার কাছে

 আমি সেটাই হারাই, যেটাকে সবচেয়ে বেশি চাই। হয়তো আমার ভাগ্যের অভিধানে "পাওয়া" শব্দটা নেই— আছে শুধু অপেক্ষা, আর অপেক্ষার শেষে এক মুঠো শূন্যতা। যাদের জন্য হৃদয়ের দরজা খুলেছি, তারা একদিন দরজাটা খোলা রেখেই চলে গেছে। যে স্বপ্নগুলোকে চোখের পাতায় আগলে রেখেছিলাম, ভোর হওয়ার আগেই সেগুলো নিঃশব্দে মারা গেছে। জীবন আমাকে সুখ দেয়নি, দিয়েছে সহ্য করার ক্ষমতা। হাসি দেয়নি, দিয়েছে কান্না লুকানোর অভ্যাস। আর ভালোবাসা? সেটা দিয়েছে— শুধু হারিয়ে ফেলার জন্য। এখন আর কারও কাছে কিছু চাওয়ার সাহস হয় না। কারণ জানি, যা সবচেয়ে আপন মনে হয়, একদিন সেটাই সবচেয়ে দূরের হয়ে যায়৷ তবুও আমি বেঁচে আছি। ভাঙা স্বপ্নের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে, হারানো মানুষের নাম বুকে নিয়ে, অপূর্ণতার সঙ্গে প্রতিদিন একটা নতুন সন্ধি করে । যদি কোনোদিন ঈশ্বর আমাকে জিজ্ঞেস করেন— "তোমার সবচেয়ে বড় পরিচয় কী? আমি মাথা নিচু করে বলব, আমি সেই মানুষ, যে জীবনে সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছে... আর সবচেয়ে বেশি হারিয়েছে।

আমার অনেক জেদ হয়!

আমার অনেক জেদ হয়। তীব্র আকাঙ্ক্ষাগুলো এসে আমাকে জেঁকে ধরে, ভেতরটা অস্থির করে তোলে। আমি হাঁসফাঁস করতে করতে বলি, “তোমাকে আমার দেখতে ইচ্ছে করে।” আমি জেদ করি। আবার কোনো এক নিঃশব্দ রাতে হঠাৎ তোমার কণ্ঠের জন্য বুকটা হাহাকার করে ওঠে, “তোমাকে আমার শুনতে ইচ্ছে করে।” আমি আবার জেদ করি। তোমাকে আমি মন ভরে দেখি, প্রাণ ভরে তোমাকে শুনি আর তখন মনে হয়, এই তো আমার শান্তি। এই তো আমার সমস্ত অস্থিরতার শেষ ঠিকানা। আমার ভেতরে জমে থাকা কত শত জেদ, কত অভিমান, কত না-বলা কথার ভার, তুমি কতবার শুধু একটুখানি হেসে সবকিছু গলিয়ে দিয়েছো! আমার অনেক জেদ হয়! তোমার কণ্ঠ শোনার আকাঙ্ক্ষায় নিঃশব্দে ডুকরে কেঁদে উঠি। তোমার হাসিমুখটা একবার দেখার জেদ আমাকে ভেতর থেকে ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তবুও আমি জেদ করি। আমার অনেক জেদ হয়, আমি তাদের নিজ হাতেই তাদের খুন করি। কিছু আকাঙ্ক্ষাকে নিঃশব্দে কবর দিয়ে দিই। তবুও... আমার অনেক জেদ হয়। আজও হয়।