পোস্টগুলি

গল্প লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হিমু হাতে কয়েকটি নীল করেনা

ছবি
পাছায় বিরাট পাঁচটা লাঠির বাড়ি খেয়ে এই মুহূর্তে বসে আছি কাঁঠালবাগান ঢালের মুখে। বাড়ি দিয়েছেন কলাবাগান থানার ওসি। অপরাধ, করোনা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমি মাস্ক ছাড়া খালি পায়ে সুন্দরবন হোটেলের সামনে দাঁড়ানো জামাই-বউ চানাচুরের দোকান থেকে চানাচুর খাচ্ছিলাম। চানাচুর খেতে গিয়ে লাঠির বাড়ি খাওয়া একটা দুঃখজনক ব্যাপার। তবে এই দুঃখের অবশ্য ভাগিদার পাওয়া গেছে। চানাচুরওয়ালার পাছায়ও দশটা বাড়ি পড়েছে লাগাতার। পাতলা কাপড়ের প্যান্ট। দাঁত মুখ খিচ দিয়ে 'উহ উহ' আওয়াজ করার জন্য বাড়ি আরও কয়েকটা বেশি খেয়েছে চানাচুরওয়ালা। এভাবে আওয়াজ করলে পুলিশ বাড়ি দিয়ে আরাম পায়। বাড়ি দেয়ার সময় পুলিশের চোখমুখের ভাব হয় অখিলবন্ধু ঘোষের গানের মতো- 'যেন কিছু মনে করোনা'। দূরদর্শী শিল্পী। কত আগের গান। তার কথার মাঝেও 'করোনা'। নেমপ্লেটের দিকে তাকিয়ে নাম পড়ার চেষ্টা করে 'পরি..' অবধি পড়তে পড়তেই ওসি সাহেব আমার পাছায় আরও দুটো বাড়ি দেয়ায় নামটা আর পড়তে পারি নাই। একজন ওসির নাম পরি হবার কোন কারণ নাই। পুলিশ আর পরি খুব বিপরীত দুইটা জিনিস। তাছাড়া পরিরা পাছায় এত জোরে বাড়ি দেবে না। জ্বিন দিতে পারে। আমি ওস...

অচেনা ঝপসা শহর

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার দিন ক্যালকুলেটর ছাড়াই চলে গিয়েছিলাম পরীক্ষা দিতে! ক্যালকুলেটর ছাড়া অংক আর মেলাতে পারছিলাম না, তাই পাশের মেয়েটার কাছে ক্যালকুলেটর চাইলাম। মেয়ে অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে বলল, ক্যালকুলেটর ছাড়া আসছেন ভর্তি পরীক্ষা দিতে? এত ইরেস্পন্সিবল কেন? মেয়ের কথা শুনে হলের ছেলে মেয়ে সব হেসে ফেলল। আর আমার মুখটা করুন হয়ে গেলে মেয়েটা বলল, স্যরি, এই নেন ক্যালকুলেটর। পরীক্ষা শেষে বাহিরে দাঁড়িয়ে আছি রিকশার জন্যে আর তখন হলের ওই মেয়েটা এসে বলল, শুনুন আমি ঢাকার বাহিরে থাকি, ছোট মামার বাসায় উঠেছি ভর্তি পরীক্ষার জন্যে। আমার সাথে মামা এসেছিল, এখন মামাকে খুঁজে পাচ্ছি না। আর আমি মামার বাসার ঠিকানা জানি কিন্তু ভালোভাবে ঢাকার কিছুই চিনি না। আমার সাথে একটু অপেক্ষা করবেন মামার জন্যে? এইবার আমার প্রতিশোধের পালা। চিৎকার দিয়ে বললাম, ঢাকা শহর চেনেন না আবার আসছেন ঢাকায় পরীক্ষা দিতে? আমার চিৎকার শুনে যে মেয়ে কেঁদে ফেলবে তা বুঝি নাই! আইসক্রিম দিলাম, চীনাবাদাম দিলাম, ঝালমুড়ি খাওয়ালাম তবুও বালিকা ফুঁপিয়েই যাচ্ছে! ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলল, এই জন্যে আমি ঢাকা আসতে চাই না। ঢা...

মৃন্ময়ী

আমি বরাবরই চুপচাপ স্বভাবের ছিলাম। পড়ালেখাতে খুব ভালোও ছিলাম না কিন্তু কোনোমতে চবিতে চান্স হয়ে গেলো। ক্লাসে গেলেও কাউকে ঠিকমতো চিনতাম না। একদিন ক্যাম্পাসে বসে সিগারে...

স্বদেশপ্রেম

স্বদেশপ্রেম ................. ১৯৭১ এর মাঝামাঝি। জুন মাস। বাইরে ঝুম বৃষ্টি হচ্ছ। আমি ক্যালেন্ডারে ৫ টা দাগ কাঁটলাম। আজ ২৫ টা হানাদার নিশানায় গেঁথেছি। সহযোদ্ধা মতিন মিঞা মারা গেলো। বু...