বরং দূরত্বই শ্রেয়
আমাদের জন্যে দূরত্বটাই বরং শ্রেয়। নিজের কষ্ট মানুষ কোনো না কোনোভাবে সহ্য করে নেয়। নিজেকে বোঝায়, নিজেকেই সান্ত্বনা দেয়, রাতের অন্ধকারে নিঃশব্দে কাঁদে— তারপরও বেঁচে থাকে। কিন্তু প্রিয় মানুষটার কষ্ট? সেটা সহ্য করা যায় না। খুব কাছ থেকে প্রিয় মানুষটাকে ভেঙে যেতে দেখা, তার চোখের নিচে জমে থাকা ক্লান্তি দেখা, তার হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা দীর্ঘশ্বাসগুলো টের পাওয়া— এসবের চেয়ে ভয়ংকর শাস্তি বোধহয় আর নেই। নিজের অসুখী জীবনটাকে মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু যাকে ভালোবাসি, তার অসুখী জীবনটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি যখন কষ্ট পাই, সে অস্থির হয়ে ওঠে। আমার চোখের জল তার সহ্য হয় না। অথচ আমিও তো পারি না— তার চোখে সেই একই অন্ধকার দেখতে। তাই রাগ হয়, অভিমান হয়, কখনো নিজের ওপর, কখনো ভাগ্যের ওপর। রাগ, অভিমান, কান্না—সবকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় বুকের ভেতর জেঁকে বসে সমাধানহীন এক সীমাহীন কষ্ট। মনে হয়, এত ভালোবাসার পরও কেন মানুষটাকে সুখী করতে পারলাম না? কেন তার ভাগ্যে এমন কিছু লিখে রাখা হলো, যার সামনে দাঁড়িয়ে আমি শুধু অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকব? এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই। শুধু আছে একরাশ নীরবতা। আর আছে বুকের ভেতর জমে থাকা এক...