পোস্টগুলি

প্লিজ নিজের খেয়াল রেখো

  কেন এতো দিন পরে, আজ তোমায় মনে পরে,  আমি কাঁদি নতুন করে, সে তোমার ছবি ধরে। আমার লাগছে যে অসহায়, একলা এই না ঘরে তুমি রেশমি বিছানায়, ডুবে আছো কার আদরে। আজ তুমি রাতের তারা, তবু আমি আলোহারা তোমায় দেয় কে পাহারা, আমি দূরে দিশেহারা। আমার হয়না ছোঁয়া তোমায়, স্বপ্ন কেনার দরে তুমি নতুন ঠি’কানায়, সুখ খোঁজো কার গভীরে। আজ বলবো কি যে তোমায়, তুমি অনেক ভালো থেকো, আমি আমার মতো না হয় প্লিজ, নিজের খেয়াল রেখো। অনেক ভালো থেকো প্লিজ, নিজের খেয়াল রেখো, নিজের খেয়াল রেখো।

অবশেষে সারাজীবনের জন্যে যে তোমারে পেল, সে যেন তোমাকে আগলে রাখে ভীষন যত্নে

অবশেষে সারাজীবনের জন্যে যে তোমারে পেল, সে যেন তোমাকে আগলে রাখে ভীষন যত্নে। আমি ভাঙাচোরা মানুষ তোমারে ছোঁয়ার সাধ্যে আমার হয়ত কখনোই ছিলো না।  তবুও স্বপ্ন দেখে গিয়েছিলাম তোমারে নিজের করে পাওয়ার। আমি হতভাগা এতোই কমদামি স্বপ্ন কেনার দামদরে তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি। যে তোমাকে জিতে নিলো সে যেন তোমারে ভালোবাসার কমতি বুঝতে না দেয়। আমি চাই না ভালোবাসার কমতি পড়লে তুমি আমাকে মনে করো। তুমি যখনই আমাকে মনে করবে তোমার দুঃখ হবে আমার জন্য। আমি চাই তুমি সুখী থাকো আজীবন, দুঃখ তোমারে মানায় না। যার কারনেই ভালো থেকো, কারন তুমি ভালো না থাকলে আমার এতো বিসর্জন এতো দীর্ঘশ্বাস -সব বিফলে যাবে। আমার ভালোবাসার দিকে তাকিয়ে হলোও তুমি ভালো থেকো.....।

অসীম শূন্যতা আমাকে আকড়ে ধরো.........

  আমাকে এভাবে পরাজিত করা হলো??? এভাবে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হলো?? আমার কি একটা সুযোগও পাওয়ার ছিলো না?? অসীম শূন্যতা আমাকে আকড়ে ধরো, আজ এই শূন্যতার মাঝে পৃথিবীর তুচ্ছতম মানুষটি বিলীন হয়ে যাক...

আমাকে খোঁজো না তুমি বহুদিন –

‘আমাকে খোঁজো না তুমি বহুদিন – কতদিন আমিও তোমাকে খুঁজি নাকো; – এক নক্ষত্রের নিচে তবু – একই আলো পৃথিবীর পারে আমরা দুজনে আছি; পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়, প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়, হয় নাকি?- -জীবনানন্দ দাশ

কথোপকথন- "শূন্যতার কোলাহলে"

আচ্ছা___, অভিমান নাকি অবহেলা কিভাবে বুঝবো? অবহেলা হলো কেউ যখন তোমাকে কাঁদিয়ে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আর অভিমান হলো কেউ যখন তোমাকে কাঁদিয়ে চোখ মুখে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। বেশ ভালো বলেছো। তাহলে দূরত্বটা কি? শরীর ছুঁয়েও, মন ছুঁতে না পারাটাই দূরত্ব।  তাহলে পেয়ে যাওয়া ব্যপারটা কিরকম? শূন্যতায়, একাকিত্বে, অভিমানে, আবদারে সবকিছুতেই যে মানুষটাকে তুমি পাশে পাও সেই মানুষটাই তোমার পূর্ণতা। তবে তুমি পূর্ণতা হয়ে এসো আমার নিঃসঙ্গ আকাশে। এক টুকরো স্নিগ্ধ বাতাস হয়ে এসো আমার দক্ষিণের বারান্দায়। আমি তবে অপেক্ষায়....

তোমার হারিয়ে যাওয়া মনে রাখতে রাখতেই মরে যাবো একদিন!!

যেন শতাব্দী থেকে শতাব্দী জারি আছে নিষেধাজ্ঞা, কোন সমীহ নেই, অপেক্ষার অন্তরায় বুকের ভেতর যে পীড়ন ও আর্তনাদ আমি যেন মরে যাই, অনর্গল তোমাকে ভেবে৷ নিজেকে এমন বিষাদগ্রস্থ আর কখনো মনে হয়নি এমন তুমিহীনতায় -প্রেম ভালোবাসাকে আমি চরম ভাবে অস্বীকার করছি! আমি চাই– মৃত্যু আনাগোনা করুক ভয়াবহ শব্দে গ্রাস করুক তোমার আমার অসীম দূরত্বকে, অথচ কি নিদারুণ ভাবে তোমাকে মনে পড়ছে মনে হয় পৃথিবীতে মানবসভ্যতার জন্যে আর কোন মৃত্যু উপত্যকা নেই, যেন তোমাকে হারিয়ে ফেলার ভয় নেই অথচ তোমার হারিয়ে যাওয়া মনে রাখতে রাখতেই মরে যাবো একদিন!!

আমার প্রেমিক হতে ইচ্ছে করে

  আমার প্রেমিক হতে ইচ্ছে করে; বিকেলের স্নিগ্ধ কোমল উষ্ণতায় প্রেমিকার ঠোঁটে চুমু খেতে ইচ্ছে করে! আশ্বাসে আর বিশ্বাসের মধ্যভাগে দাঁড়িয়ে আমি সেবার প্রেমিকার মন জয় করতে পারিনি।হ্যাঁ, আমি নিতান্তই সেকেলের প্রেমিকদের মতো।এখনকার স্টাইলিশ প্রেমিকদের আমার তেমন প্রেমিক মনে হয় না। আমার কবি হতে ইচ্ছে করে,মধ্য রাতে বিষণ্ণতায় মেলায় আমার অষ্টেপৃষ্ঠে বহুগুণ তীব্রতা নিয়ে অনুভূতিরা খেলা করে।আমি চাই সেসব কবিতায় ফুটে উঠুক।কিন্তু আমি কবি নয় যে? আমার যে কেবল জড়তা আছে তা নয়, আমার প্রেমিকারা আমায় ঠিকঠাক বুঝতে পারেনি! আমি তাদের স্পর্শ করিনি বলে তারা ভেবে নিয়েছিলো আমার ভেতরে পুরুষত্ব বলে কিছু নেই।কিন্তু আমি চেয়েছিলাম পবিত্রতায়। পোষা পাখি হবো, নির্দিষ্ট মানুষের মনের ভেতর আমায় নিয়ে গল্প রচনা হবে।আমি নিতান্তই সাধারণ বাসনা নিয়ে বেঁচে ফিরি।কঠিন কিছু আমাকে দিয়ে হবে না... বিদ্রোহ কিংবা যুদ্ধ আমার কবিতায় ঠাঁয় পাবে না,আমার কেবল প্রেম নিয়েই যতো আকুতি।আমি প্রেমিক হতে চাই,আমি কদমের প্রেমিক হবো। মানুষ বদলায় কিন্তু ফুল কিংবা কদম বদলায় না....