সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অপূর্ণতার কাছে

 আমি সেটাই হারাই,

যেটাকে সবচেয়ে বেশি চাই।

হয়তো আমার ভাগ্যের অভিধানে

"পাওয়া" শব্দটা নেই—

আছে শুধু অপেক্ষা,

আর অপেক্ষার শেষে

এক মুঠো শূন্যতা।

যাদের জন্য হৃদয়ের দরজা খুলেছি,

তারা একদিন

দরজাটা খোলা রেখেই চলে গেছে।

যে স্বপ্নগুলোকে

চোখের পাতায় আগলে রেখেছিলাম,

ভোর হওয়ার আগেই

সেগুলো নিঃশব্দে মারা গেছে।

জীবন আমাকে সুখ দেয়নি,

দিয়েছে সহ্য করার ক্ষমতা।

হাসি দেয়নি,

দিয়েছে কান্না লুকানোর অভ্যাস।

আর ভালোবাসা?

সেটা দিয়েছে—

শুধু হারিয়ে ফেলার জন্য।

এখন আর কারও কাছে

কিছু চাওয়ার সাহস হয় না।

কারণ জানি,

যা সবচেয়ে আপন মনে হয়,

একদিন সেটাই

সবচেয়ে দূরের হয়ে যায়৷

তবুও আমি বেঁচে আছি।

ভাঙা স্বপ্নের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে,

হারানো মানুষের নাম বুকে নিয়ে,

অপূর্ণতার সঙ্গে প্রতিদিন

একটা নতুন সন্ধি করে ।

যদি কোনোদিন

ঈশ্বর আমাকে জিজ্ঞেস করেন—

"তোমার সবচেয়ে বড় পরিচয় কী?

আমি মাথা নিচু করে বলব,

আমি সেই মানুষ,

যে জীবনে সবচেয়ে বেশি

ভালোবেসেছে...

আর সবচেয়ে বেশি

হারিয়েছে।


মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অপূর্ণতার গল্প

ভাইয়া চল না আজ রাসেল ভাইদের কলেজ থেকে ঘুড়ে আসি,,,,, কেন?? কোন অনুষ্ঠান আছে?? হ্যাঁ,, ভাইয়া,, ঠিক আছে তুই যখন বের হবি তখন আমাকে সাথে নিয়ে যাস,,,,, অনেক দিন পর কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছি...

Tumi chaile piran khan Ft. Jony

Tumi chaile piran khan Ft. Jony Lyric Published : Tafsin ahmed Evan Lyric: তুমি চাইলেই ঠিকি পারতে, ছায়া হয়ে পাশে থাকতে, তুমি পাগল এ আমি টাকে, বুকে জড়িয়ে রাখতে। তুমি চাইলে ঠিকি পারতে, ভালবাসা টুকু বাচিয়ে রাখতে, শত রঙে সাজিয়ে তাকে, আমায় ...

পিচ্চি বলতে কিছুই নেই,সবাই সব কিছু বোঝে..

০৫-০৭-২০১০ মেয়েটির নাম রিহা,সাদিয়া রিহা। বয়সে আমার বছর তিনেক ছোট হবে। ছোট মেয়েদের উপর ক্রাশ খাওয়ার মত এত বড় বিড়ম্বনা আর নেই। যেই মেয়েটি ভাইয়া ভাইয়া বলে গলা ফাটায় তাকে কখনো ভালোবাসার কথা বলা যায়? তাকে ভালোবাসাটাও তো অন্যায়। আর আমি সে অন্যায়ই করেছিলাম। আজকে সেই গল্পই বলছি। ভালো লাগতো খুব ওকে কিন্তু কখনো মুখ ফুটে বলা হয় নি পাছে ওর মনে একটা বিরূপ ধারনা জমে এই ভেবে যে যাকে বড় ভাইয়া বলে ভাবলাম এতদিন আজ সে ও ভালোবাসার কথা বলছে!!! তাই আর কখনো বলা হয়নি ভালোবাসার কথা। ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হতো। আমি রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে বসে থাকতাম,ও কলেজে যেত। কিংবা আমি যখন বিকেলে বাসার সামনের গলিতে ক্রিকেট খেলতাম,ও কোচিং থেকে ফিরতো। যতবার দেখা হতো ততবারই কথা হতো। ও নিজে থেকেই বলতো। এই যেমন "কি ভাইয়া, আজকে কি হাফ সেঞ্চুরি হবে?" অথবা "রেড টি শার্টে তো আপনাকে দারূণ লাগে ভাইয়া।" আমি ও হেসে উত্তর দিতাম। মাঝেমাঝে মজা করতাম,এই যেমন, "কি প্রতিদিনই কি তোমার কোচিং থাকে? নাকি কারো সাথে দেখা করতে যাও।" ভালো একটা সম্পর্কই ছিল বলা চল...