সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

---------অপূর্নতা--------

চোখ বন্ধ করে দাড়িয়ে আছি।দূর থেকে ট্রেন আসার শব্দ শুনতে পাচ্ছি। এমন সময় ফোনটা বেজে উঠল।অনিচ্ছা শত্বেও রিসিভ করলাম -ওই কুত্তা কই তুই? ওই তুই ট্রেন রাস্তায় এত রাতে কি করছিস।মরার জন্য যাস নাই তো? (আফসানা) -(কোমনে যে বুইঝা ফালাইলো) কি যে কস তুই।মরবো ক্যান। কয়েকটা ফ্রেরেন্ডের সাথে ঘুরতে আসছিলাম। -ভাল হয়ছে।এখন রাস্তা থেকে সর না হলে সকালে তোর বডিটা আলুভত্তা মার্কা অবস্হায় পাওয়া যাবে। -(হাই হাই আর এতটু হইলেই তো ট্রেনটা আমার উপর দিয়ে চইলা যাইত।যাক বাচছি।) ওই কুত্তি আমি কি মরার জন্য আসছি নাকি যে সুইসাইড করবো। তা হটাত আমাকে এত রাতে ফোন করার কারন? -ক্যান অন্য মেয়ে ফোন দেওয়ার কথা ছিল? -না।আপনি তো অল টাইমই মিস কল দেন।আজ হটাত ডাইরেক্ট কল দিলেন তো তাই বললাম।নিশ্চই কোন বিশাল ব্যাপার ট্যাপার আছে? -তোরে কি আমি স্বাদে আর কুত্তা বলি।তুই জীকনেও ভাল হবি না। তুই এখুনি আমার বাসার সামনে চলে আয়। -ক্যান? এখন পারবো না।ফ্রেন্ডের সাথে আছি।তোর বয়ফ্রেন্ড রে ডাক না? -ও আসলে কি আর তোরে কইতাম কুত্তা।যদি না আসিস তবে তোরে কাল পুকুরের জলে চুবামু কইলাম। রাখলাম আমি। ডেনজারাস...

আমার বন্ধাবী অণু

অনু আমার সবচেয়ে প্রিয় বান্ধবী।ফেসবুকের মাধ্যেমে ওর সাথে আমার পরিচয়।আমি মেয়েদের ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাই না কারন বেশির ভাগ মেয়ে আইডি গুলো ফেইক হয়ে থাকে তবুও অনেক ভেবে-চিন্তে একটা মেয়ে আইডিতে রিকুয়েস্ট পাঠালাম কিন্তু তিনদিন হয়ে গেল তবু একসেপ্ট করল তাই মেজাজটা একটু খারাপ হয়ে গেল।কয়েক ঘন্টা পর দেখি সে একসেপ্ট করছে, একটু খুশিই হলাম।মেয়েটার প্রফাইল দেখছি,কিন্তু এতো ঘটাঘটির পরেও মেয়েটা কোন পিক খুজে পেলাম না তার আইডিতে,মনে মনে ভাবলাম একেই আমার বন্ধু বানাবোই।মেয়েদের একটা খারাপ অভ্যাস আছে তাদের মেসেজ দিলে রিপ্লে করতে চায় না,মানে একটু এক্সটা ভাব দেখায়।তাই আমি ওকে চমকে দেওয়ার জন্য প্রথম মেসেজ দিলাম কিরে অনু, দোস্ত কেমন আছিস?ওমা!দেখি মেয়েটা সাথে রিপ্লেই করল আর বলল ভালো আছি তুই কে?দুঃখিত আপনি কে?আমি আমার পরিচয় দিলাম এই ভাবে আমার খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেল।ফেসবুকে অনুর কোনোই ছবি দেওয়া ছিল না তাই আমি  ওকে কোনোদিন দেখিনি কিন্তু ও আমাকে দেখেছে, আমার ছবি ফেসবুকে আছে,আমি কোনোদিন ওর কাছ থেকে ওর ছবি দেখতে চাইনি আর প্রয়োজন মনে করি নি।ও যেইদিন ইচ্ছা করে ওর ছবি আমায় দেখাবে সেইদিনই দ...

ভূত FM by চায়না মোবাইল

ভূত FM হান্টেড বাই চায়না মোবাইলঃ রাস্কেল ভাই, আমি সরাসরি ঘটনায় চলে যাচ্ছি । ইটস সো উইয়ার্দ । ঘটনাটি ঘটে ক্লাস সিক্সে । স্কুল ছুটিরপর এক মেয়ের সাথে প্রায়ই কথা হত । মেয়েটি একদিন বলল,- তোমার মোবাইল আছে?- নাই ।- একটা কিনে ফেল তাড়াতাড়ি ।আমরা রাতজেগে মোবাইলে কথা বলব । আমি সেদিনই বাসায়গিয়ে আব্বাকে বললাম,- আব্বা মোবাইল লাগবে ।- কি করবি?- আমার ক্লাসের একবান্ধবী বলেছে সে নাকি রাত জেগে আমার সাথে মোবাইলে কথা বলবে ।- মানে প্রেম করবি? অকে । কালই তোকে মোবাইল কিনে দিচ্ছি ।পরেরদিন বাপজান মোবাইলকিনে দিল ।আমি প্রথমেই সেই বান্ধবীকে কলকরে জানিয়ে দিলাম মোবাইলকিনেছি ।রাত দুটায় মেয়েটিকে আমি কলদিলাম ।এরপর ঘটে আসল ঘটনা । যা আমি আজওভুলতে পারি না ।কথা বলতে বলতে একসময় মোবাইলকেটে গেল । আমি ভয়পেয়ে গেলাম!এ কিসের আলামত? কল কেটে গেলকেন?আমি বান্ধবীর নাম্বারে আবার কলদিলাম। এক মাইয়ার কন্ঠ শুনতে পেলাম ।তবে কন্ঠটা বান্ধবীর ছিল না ।সে বলল, আপনার মোবাইলে পর্যাপ্তব্যালেন্স নেই । অনুগ্রহপূর্বক রিচার্জকরুন । আমার অবস্থা তখন কাহিল । ভয়ে ঘামতে শুরু করলাম । ব্যালেন্সনাই মা...

কষ্ট খোর মানুষ……

আজ রাতে না খেয়ে থাকা মানুষ যদি কাল সকালের কাজের জন্য প্রিপায়ার্ড হয় তাহলে বুঝবেন মানুষটা কষ্টখোর । না খেয়ে থাকা মানুষগুলো চট করে কষ্ট গিলে খেতে পারে ... . শব্দহীন ভাবে প্রতিরাতে কষ্ট খেয়ে এক গ্লাস পানি খেয়ে ঘুমিয়ে যাবে । . মাথার উপর আগুনের ফুলকি ঝরে পড়বে ... তারপরও দেখবেন মানুষগুলো মানুষের সাজে সেজে কাজের জন্য বের হয়ে গেছে । . কষ্ট চেপে রাখার র্ধৈয্য ! ! ! . কতোটুকু র্ধৈয্য পেলে মানুষ কষ্ট চেপে রাখতে পছন্দ করে ? . কষ্টের ঝুরিতে প্রতিদিন একটা সাদা কাগজে কষ্ট জমিয়ে রাখার সাহস কয় জনের আছে ? . চট করে চোখের কোনায় পানি টলমল করার পরও কোন ফাকে চোখ মুছে সবার সাথে তাল মিলিয়ে হাসবে । আপনার খেয়ালের অগোচরে ঘটে যাবে সবকিছু ... . স্বপ্ন হারিয়ে একটা পরিবারকে জড়িয়ে আগলে রাখার চেষ্টায় ঘুম হারিয়ে যাবে । প্রতিদিন রাতে বারান্দায় দাড়িয়ে কালকের স্বপ্ন নিয়ে ভাববে । . কষ্ট চেপে হাসা , কষ্টের ভার কতোটুকু বাড়িয়ে দেয় ? . আমার সাথে একবার এক মানুষের সাথে দেখা হয়েছিলো । প্রতিদিন রাত দুইটার দিকে মানুষটা বাসার সাদে বসে চেয়ারে গা হেলিয়ে কাদে ... ...

হায়রে জীবন আর তার কঠিনতম বাস্তবতা....

হায় রে জীবন আর জীবনের সেই কঠিনতম বাস্তবতা...। আমাদের সামনে কষ্টে কেউ কেঁদে ফেললে হয়ত আমরা কেঁদে ফেলা মানুষটার জন্য মায়া বোধ করি,আর বেশি আবেগি হলে কিছু কথা বলে সান্তনা দেই এতটুকুতেই শেষ..পরবর্তীতে কখনো ঐ ব্যক্তির হাসি মুখ দেখলে একটু স্বস্তিবোধ করি আর মিথ্যা ধরণা পোষন করি নিজেদের মনে ভাবি ঐ ব্যক্তিতার দুঃখ কষ্ট শেষ সুখে আছে সে.. কিন্তু কষ্ট পাওয়া সেই ব্যক্তি ক্ষণিকের জন্য হাসি মুখ দেখাতে পারলেও পরবর্তীতে সে কষ্টেই থাকে..। আমরা পারি না ঐ কষ্ট থাকা ব্যক্তিটির চোখে পানি মুছে দিতে, পারি না ঐ ব্যক্তিটির চোখে ঐ ব্যক্তির হাত দিয়েই মুছাতে, শুধু বলি চোখের পানি মুছো সব ঠিক হইয়া যাবে কিন্তু সেই কষ্টে সিক্ত অশ্রুজল মোছা আর হয়না পড়তে পড়তে এক সময় শরীর সাথে শুকনো দাগ কেটে শুকিয়ে যায়।সেই সময় আমাদের কিছুই করার থাকে কিন্তু আবার অনেক কিছুই করার থাকে যা আমরা করতে পারি না।দুঃখে কষ্টে অশ্রুসিক্ত ব্যক্তি নিজের একটা সাপোর্ট চায় সেই কষ্টকে অতিক্রম করার জন্য কিন্তু তাকে সাপোর্ট দেওয়ার মতো কেউই থাকে না বা পায় না।কষ্টের আঘাতে জর্জরিত হয়ে সে হয়ে যায় অনেক ক্লান্ত আর...

ভালোবাসাটা ছিল অবুজ

নিরবের মোবাইল বেজে যাচ্ছে। –হ্যালো। বল। –তুই বিকেলে বগুড়া আসতে পারবি? ওপাশ থেকে মিতু বললো। –অবশ্যই পারবো। বান্দা এনিটাইম হাজির। কখন আসতে হবে? –বিকেল ৫ টার মধ্যে। –ওকে। আইএম কামিং মাই ডিয়ার। বিকেল পাঁচটা….বগুড়া সেন্ট্রাল শহীদ মিনার। মিতুকে আজ বিষন্ন মনে হচ্ছে। –মন খারাপ? মিতুর কোনো জবাব নেই। –কি হলো? কথা বল। উফ কি গরম রে বাপ!! আইসক্রিম খাবি? নিয়ে আসি? মিতুর জবাব নেই।নিরব আইসক্রিম নিয়ে হাজির। –এই নে। খা। কিরে ধর!! কতক্ষণ ধরে থাকবো? না খেলে বল, আমিই দুইটা সাবাড় করে দিচ্ছি। হাঃ হাঃ হাঃ –তুই আমার বাসায় আর আসিস না। আমার সাথে দেখা করার চেষ্টা করিস না। ফোনে কনট্যাক্ট করার চেষ্টা করিস না। গম্ভীর ভাব নিয়ে কথা গুলো বললো মিতু। নিরব তেমন পাত্তা দিলো না। এই আর নতুন কিছু না। মিতু মাঝে মাঝেই এমন করে। আবার ঠিক হয়ে যায়। –এই নে গল্পের বই। তোর জন্য এনেছি। পড়া শেষে দিয়ে দিবি। বললো নিরব। –না। নিবো না। আমি চাই না তুই বইয়ের বাহানা ধরে আমার সাথে কোনো প্রকারের দেখা করার চেষ্টা করিস। আমি যাচ্ছি। একটা রিকশা করে দে তো। নিরব কিছু বুঝে ওঠার আগেই মিতু রিকশায় ওঠ...

পিচ্চি বলতে কিছুই নেই,সবাই সব কিছু বোঝে..

০৫-০৭-২০১০ মেয়েটির নাম রিহা,সাদিয়া রিহা। বয়সে আমার বছর তিনেক ছোট হবে। ছোট মেয়েদের উপর ক্রাশ খাওয়ার মত এত বড় বিড়ম্বনা আর নেই। যেই মেয়েটি ভাইয়া ভাইয়া বলে গলা ফাটায় তাকে কখনো ভালোবাসার কথা বলা যায়? তাকে ভালোবাসাটাও তো অন্যায়। আর আমি সে অন্যায়ই করেছিলাম। আজকে সেই গল্পই বলছি। ভালো লাগতো খুব ওকে কিন্তু কখনো মুখ ফুটে বলা হয় নি পাছে ওর মনে একটা বিরূপ ধারনা জমে এই ভেবে যে যাকে বড় ভাইয়া বলে ভাবলাম এতদিন আজ সে ও ভালোবাসার কথা বলছে!!! তাই আর কখনো বলা হয়নি ভালোবাসার কথা। ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হতো। আমি রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে বসে থাকতাম,ও কলেজে যেত। কিংবা আমি যখন বিকেলে বাসার সামনের গলিতে ক্রিকেট খেলতাম,ও কোচিং থেকে ফিরতো। যতবার দেখা হতো ততবারই কথা হতো। ও নিজে থেকেই বলতো। এই যেমন "কি ভাইয়া, আজকে কি হাফ সেঞ্চুরি হবে?" অথবা "রেড টি শার্টে তো আপনাকে দারূণ লাগে ভাইয়া।" আমি ও হেসে উত্তর দিতাম। মাঝেমাঝে মজা করতাম,এই যেমন, "কি প্রতিদিনই কি তোমার কোচিং থাকে? নাকি কারো সাথে দেখা করতে যাও।" ভালো একটা সম্পর্কই ছিল বলা চল...