সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হায়রে জীবন আর তার কঠিনতম বাস্তবতা....

হায় রে জীবন আর জীবনের সেই
কঠিনতম বাস্তবতা...।
আমাদের সামনে কষ্টে কেউ কেঁদে
ফেললে হয়ত আমরা কেঁদে ফেলা
মানুষটার জন্য মায়া বোধ করি,আর
বেশি আবেগি হলে কিছু কথা বলে
সান্তনা দেই এতটুকুতেই
শেষ..পরবর্তীতে কখনো ঐ ব্যক্তির
হাসি মুখ দেখলে একটু স্বস্তিবোধ
করি আর মিথ্যা ধরণা পোষন করি
নিজেদের মনে ভাবি ঐ ব্যক্তিতার
দুঃখ কষ্ট শেষ সুখে আছে সে.. কিন্তু
কষ্ট পাওয়া সেই ব্যক্তি ক্ষণিকের
জন্য হাসি মুখ দেখাতে পারলেও
পরবর্তীতে সে কষ্টেই থাকে..।
আমরা পারি না ঐ কষ্ট থাকা
ব্যক্তিটির চোখে পানি মুছে
দিতে, পারি না ঐ ব্যক্তিটির
চোখে ঐ ব্যক্তির হাত দিয়েই
মুছাতে, শুধু বলি চোখের পানি মুছো
সব ঠিক হইয়া যাবে কিন্তু সেই কষ্টে
সিক্ত অশ্রুজল মোছা আর হয়না পড়তে
পড়তে এক সময় শরীর সাথে শুকনো দাগ
কেটে শুকিয়ে যায়।সেই সময়
আমাদের কিছুই করার থাকে কিন্তু
আবার অনেক কিছুই করার থাকে যা
আমরা করতে পারি না।দুঃখে কষ্টে
অশ্রুসিক্ত ব্যক্তি নিজের একটা
সাপোর্ট চায় সেই কষ্টকে অতিক্রম
করার জন্য কিন্তু তাকে সাপোর্ট
দেওয়ার মতো কেউই থাকে না বা
পায় না।কষ্টের আঘাতে জর্জরিত
হয়ে সে হয়ে যায় অনেক ক্লান্ত আর
পরিশ্রান্ত।এই সময় কষ্টে থাকা সেই
দুর্ভাগ্য ব্যক্তিটি দুইটা সিদ্ধান্ত
নেয়..।
১.বাস্তবতার স্রোতে গা ভাসিয়ে
দেয়,এবং নিজেকে মূল্যহীন বলে
বিবেচিত করে অবহেলা করে নষ্ট
করে দিতে চায় হতাশা গ্রস্থ
জীবনকে
২.কষ্টে জর্জরিত অসহায় ব্যক্তিটির
দ্বিতীয় সিন্ধান্ত, সে নিজেই
একলা চলার সিন্ধান্ত নেয়,এবং
জীবন যুদ্ধে বড় যোদ্ধা হয়ে যুদ্ধ করে
চলতে থাকে সব সময়..।
এবার বলি আমার কথা...-আমি
কোনো কষ্টে থাকা ব্যক্তি নই।আমি
সবাই মতোই সাধারণ কিন্তু আমরা
চিন্তা গুলো সবার মতো এতো সুন্দর
নয়।মানুষকে চেনার চেষ্টা করছি,
মানুষকে বোঝার চেষ্টা করছি আর
কষ্টে থাকা ব্যক্তিদের চোখের
পানি মুছানোর জন্য বৃথা চেষ্টা
করতে চাইছি............।

মন্তব্যসমূহ

  1. জীবনটার খুব বেশি ভাংচুর হয়ে গেলো, আমি বয়ে বেড়াচ্ছি আর অন্যেরা উপভোগ করছে আমার হাহাকার আর্তনাদ কেবল আমারই কিছু করার নেই প্রকৃতি আমাকে ঠেলে দিচ্ছে পিছনে এগিয়ে যাওয়ার সব পথ ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কি নির্মম ভাগ্য একমাত্র মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য আসবে সে আশা নিয়েই একাকী ভাবি এদিকে বুক ফেটে ফোটা ফোটা রক্ত স্বপ্নকে নিয়েই ঝরছে চিরচেনা মানুষ আমি যেনো অপরিচিত হয়ে যাচ্ছি তেমন কেউ আর খোজও নেয় না হায়রে নিয়তি......... যা লিখলাম না তা নিজেই নিজেকে লিখেছি

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অপূর্ণতার গল্প

ভাইয়া চল না আজ রাসেল ভাইদের কলেজ থেকে ঘুড়ে আসি,,,,, কেন?? কোন অনুষ্ঠান আছে?? হ্যাঁ,, ভাইয়া,, ঠিক আছে তুই যখন বের হবি তখন আমাকে সাথে নিয়ে যাস,,,,, অনেক দিন পর কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছি...

Tumi chaile piran khan Ft. Jony

Tumi chaile piran khan Ft. Jony Lyric Published : Tafsin ahmed Evan Lyric: তুমি চাইলেই ঠিকি পারতে, ছায়া হয়ে পাশে থাকতে, তুমি পাগল এ আমি টাকে, বুকে জড়িয়ে রাখতে। তুমি চাইলে ঠিকি পারতে, ভালবাসা টুকু বাচিয়ে রাখতে, শত রঙে সাজিয়ে তাকে, আমায় ...

পিচ্চি বলতে কিছুই নেই,সবাই সব কিছু বোঝে..

০৫-০৭-২০১০ মেয়েটির নাম রিহা,সাদিয়া রিহা। বয়সে আমার বছর তিনেক ছোট হবে। ছোট মেয়েদের উপর ক্রাশ খাওয়ার মত এত বড় বিড়ম্বনা আর নেই। যেই মেয়েটি ভাইয়া ভাইয়া বলে গলা ফাটায় তাকে কখনো ভালোবাসার কথা বলা যায়? তাকে ভালোবাসাটাও তো অন্যায়। আর আমি সে অন্যায়ই করেছিলাম। আজকে সেই গল্পই বলছি। ভালো লাগতো খুব ওকে কিন্তু কখনো মুখ ফুটে বলা হয় নি পাছে ওর মনে একটা বিরূপ ধারনা জমে এই ভেবে যে যাকে বড় ভাইয়া বলে ভাবলাম এতদিন আজ সে ও ভালোবাসার কথা বলছে!!! তাই আর কখনো বলা হয়নি ভালোবাসার কথা। ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হতো। আমি রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে বসে থাকতাম,ও কলেজে যেত। কিংবা আমি যখন বিকেলে বাসার সামনের গলিতে ক্রিকেট খেলতাম,ও কোচিং থেকে ফিরতো। যতবার দেখা হতো ততবারই কথা হতো। ও নিজে থেকেই বলতো। এই যেমন "কি ভাইয়া, আজকে কি হাফ সেঞ্চুরি হবে?" অথবা "রেড টি শার্টে তো আপনাকে দারূণ লাগে ভাইয়া।" আমি ও হেসে উত্তর দিতাম। মাঝেমাঝে মজা করতাম,এই যেমন, "কি প্রতিদিনই কি তোমার কোচিং থাকে? নাকি কারো সাথে দেখা করতে যাও।" ভালো একটা সম্পর্কই ছিল বলা চল...