সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাস্তবতা বড়ই নিষ্ঠুর

বাস্তবতার কাছে কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে আমরা হার মানী । বাস্তবতার কাছে অসহায় হয়ে আত্মসমর্পণ করি সবসময় । বাস্তবতার কাছে সবকিছু অসহায় ।
.
আবেগের বশে যাই করিনা কেনো, বাস্তবতার কাছে তা বড় অসহায় । আবেগ হচ্ছে সাময়িক, সময়ের সাথে তা হারিয়ে যায়, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে জীবনের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা ।
.
আবেগের বশে ছেলেটি মেয়েটিকে ভালোবেসেছিলো, কিন্তু বাস্তবতা ছিলো ভিন্ন । সময়ের সাথে সাথে তাদের প্লাস্টিক মার্কা ভালোবাসা হেরে যায় বাস্তবতার কাছে । একসময় চাপে পড়ে মেয়েটি ছেলেটিকে ভুলে যায় । কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা হার মানেনা বাস্তবতার কাছে , এটাও ভুল ছিলো ।
.
৮০ বছরের বেশি বৃদ্ধ লোকটি, এই বয়সে রিক্সা চালিয়ে নিজের পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে হবে কেনো,,! এখানেও বাস্তবতা বলতে একটি কথা আছে । না চাইলেও করতে হচ্ছে তাকে এই বয়সে ।
.
অনাথ আশ্রম নামে কেনো একটি প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে আমাদের দেশে । এর পিছনেও একটি বাস্তবিক কারণ আছে ।
.
বাস্তবতা কত বড় অসহায় জানেন,,! "আজকের ছোট শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ " এই স্লোগান দিয়ে আমরা মুখের ফেনা তুলি । কিন্তু যিনি মুখের ফেনা বেশি ফেলছেন, তার বাড়িতেই ছোট শিশুদের কাজের লোক হিসেবে রাখা হয় । সামান্য কাজের ভুল হলে, শারীরিক নির্যাতনও করা হয় । এরকম নজির অহরহ ।
.
হাটা শিখার পরও যখন আমরা বারবার হোচট খাই, তখন আবার বাস্তবতার সাথে লড়াই করে উঠে চলার চেষ্টা করি ।
.
কেউ চায় না হার মানতে । কিন্তু বাস্তবতা বড় নিষ্ঠুর , হার মানতে বাধ্য করে অনেক সময় । বাস্তবতা মেনে নেয়া কষ্ট হলেও, মেনে নিতে হয় ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অপূর্ণতার গল্প

ভাইয়া চল না আজ রাসেল ভাইদের কলেজ থেকে ঘুড়ে আসি,,,,, কেন?? কোন অনুষ্ঠান আছে?? হ্যাঁ,, ভাইয়া,, ঠিক আছে তুই যখন বের হবি তখন আমাকে সাথে নিয়ে যাস,,,,, অনেক দিন পর কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছি...

Tumi chaile piran khan Ft. Jony

Tumi chaile piran khan Ft. Jony Lyric Published : Tafsin ahmed Evan Lyric: তুমি চাইলেই ঠিকি পারতে, ছায়া হয়ে পাশে থাকতে, তুমি পাগল এ আমি টাকে, বুকে জড়িয়ে রাখতে। তুমি চাইলে ঠিকি পারতে, ভালবাসা টুকু বাচিয়ে রাখতে, শত রঙে সাজিয়ে তাকে, আমায় ...

পিচ্চি বলতে কিছুই নেই,সবাই সব কিছু বোঝে..

০৫-০৭-২০১০ মেয়েটির নাম রিহা,সাদিয়া রিহা। বয়সে আমার বছর তিনেক ছোট হবে। ছোট মেয়েদের উপর ক্রাশ খাওয়ার মত এত বড় বিড়ম্বনা আর নেই। যেই মেয়েটি ভাইয়া ভাইয়া বলে গলা ফাটায় তাকে কখনো ভালোবাসার কথা বলা যায়? তাকে ভালোবাসাটাও তো অন্যায়। আর আমি সে অন্যায়ই করেছিলাম। আজকে সেই গল্পই বলছি। ভালো লাগতো খুব ওকে কিন্তু কখনো মুখ ফুটে বলা হয় নি পাছে ওর মনে একটা বিরূপ ধারনা জমে এই ভেবে যে যাকে বড় ভাইয়া বলে ভাবলাম এতদিন আজ সে ও ভালোবাসার কথা বলছে!!! তাই আর কখনো বলা হয়নি ভালোবাসার কথা। ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হতো। আমি রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে বসে থাকতাম,ও কলেজে যেত। কিংবা আমি যখন বিকেলে বাসার সামনের গলিতে ক্রিকেট খেলতাম,ও কোচিং থেকে ফিরতো। যতবার দেখা হতো ততবারই কথা হতো। ও নিজে থেকেই বলতো। এই যেমন "কি ভাইয়া, আজকে কি হাফ সেঞ্চুরি হবে?" অথবা "রেড টি শার্টে তো আপনাকে দারূণ লাগে ভাইয়া।" আমি ও হেসে উত্তর দিতাম। মাঝেমাঝে মজা করতাম,এই যেমন, "কি প্রতিদিনই কি তোমার কোচিং থাকে? নাকি কারো সাথে দেখা করতে যাও।" ভালো একটা সম্পর্কই ছিল বলা চল...