সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হিমু হওয়ার নিয়মাবলি

হিমু হওয়ার নিয়মাবলি :

১৷ বয়স আঠারোর উপর হতে হবে৷ আঠারোর নিচে হিমু হওয়া যাবে না৷ বিশেষ ব্যবস্থায় আঠারোর নিচেও হিমু হওয়া যাবে, তখন বাবা-মা এবং স্কুলের হেডমাস্টার সাহেবের অনুমতি লাগবে৷

২৷ হলুদ পাঞ্জাবি বাধ্যতামূলক৷ শীতকালে হলুদ চাদর পরা যেতে পারে৷ বাংলাদেশের সীমানার বাইরের হিমুরা হলুদ পাঞ্জাবির বদলে হলুদ শার্ট বা জ্যাকেট পরতে পারবে৷

৩৷ খালি পা বাধ্যতামূলক না৷ কম দামি চামড়ার স্যান্ডেল পরা যেতে পারে৷ শীত প্রধান দেশের হিমুরা জুতা-মোজা পরতে পারবে৷

৪৷ প্রতি পূর্ণিমায় পূর্ণচন্দ্রের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকা বাধ্যতামূলক৷ মেঘ-বৃষ্টির কারণে চাঁদ দেখা না গেলে কল্পনায় চাঁদ দেখতে হবে৷

৫৷ বৃষ্টি বাদলার দিনে ছাতা ব্যবহার করা যাবে না৷ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে যেতে হবে৷ ঠাণ্ডা লেগে গেলে চিকিৎসা নিতে হবে৷ হিমুরা শরীর ঠিক রাখার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে৷ এতে কোনো বাধা নেই৷

৬৷ রাতে নির্জন রাস্তায় হাঁটার বিধান শিথিলযোগ্য৷ বইপত্রে দেখা যায়, হিমুরা সন্ত্রাসী এবং পুলিশের সঙ্গে ঠাট্টা তামাশা করে৷ নব্য হিমুদের এই কাজ করতে কঠিনভাবে নিষেধ করা হচ্ছে৷ র‌্যাবের হাত থেকে শত হস্ত দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়৷

৭৷ হিমুরা কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা সমর্থনকারী হতে পারবে না৷ তাদের একটাই নীতি হিমুনীতি, রাজনীতি নয়৷

৮৷ হিমুদের জন্য সপ্তাহে দুইদিন নিরামিষ আহার বাধ্যতামূলক৷ বাকি দিনগুলোতে মনের সুখে খাওয়া-দাওয়া করা যাবে৷

ঌ৷ হিমুদের পাঞ্জাবিতে পকেট থাকে না৷ তবে কেউ যদি পকেট রাখেন তবে দোষ হবে না৷

১০৷ হিমুরা কখনোই মানিব্যাগ ব্যবহার করতে পারবে না৷

১১৷ তারা সব সময় হাস্যমুখে থাকবে, সবার সঙ্গে ঠাট্টা ফাজলামি ধরনের কথা বলবে, তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যদের সঙ্গে কখনো না৷ তারা ঠাট্টা ফাজলামি বুঝে না৷

১২৷ আদি হিমুর পিতা যেসব নীতিমালা হিমুর জন্য লিখে গেছেন সেইসব নীতিমালা নিয়মিত পাঠ করতে হবে৷ সেই মতো জীবনচর্যাও পরিচালিত করতে হবে৷

১৩৷ হিমুরা কখনোই কোনো তরুণীর সঙ্গে হৃদয়ঘটিত ঝামেলায় জড়াবে না৷ একসঙ্গে ফুচকা খাওয়া, ফাস্টফুড খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ৷

১৪৷ এক হিমু অন্য হিমুকে আপন ভাইয়ের মতো দেখবে৷

১৫৷ বিশেষ বিশেষ উৎসবে, যেমন পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারিতে সব হিমুরা একত্রিত হয়ে হিমু সঙ্গীত গাইবেন৷ হিমু সঙ্গীত এখনো লেখা হয়নি৷ সঙ্গীত লেখা এবং সুর দেওয়া হিমু গেজেটে প্রকাশ করা হবে

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অপূর্ণতার গল্প

ভাইয়া চল না আজ রাসেল ভাইদের কলেজ থেকে ঘুড়ে আসি,,,,, কেন?? কোন অনুষ্ঠান আছে?? হ্যাঁ,, ভাইয়া,, ঠিক আছে তুই যখন বের হবি তখন আমাকে সাথে নিয়ে যাস,,,,, অনেক দিন পর কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছি...

Tumi chaile piran khan Ft. Jony

Tumi chaile piran khan Ft. Jony Lyric Published : Tafsin ahmed Evan Lyric: তুমি চাইলেই ঠিকি পারতে, ছায়া হয়ে পাশে থাকতে, তুমি পাগল এ আমি টাকে, বুকে জড়িয়ে রাখতে। তুমি চাইলে ঠিকি পারতে, ভালবাসা টুকু বাচিয়ে রাখতে, শত রঙে সাজিয়ে তাকে, আমায় ...

পিচ্চি বলতে কিছুই নেই,সবাই সব কিছু বোঝে..

০৫-০৭-২০১০ মেয়েটির নাম রিহা,সাদিয়া রিহা। বয়সে আমার বছর তিনেক ছোট হবে। ছোট মেয়েদের উপর ক্রাশ খাওয়ার মত এত বড় বিড়ম্বনা আর নেই। যেই মেয়েটি ভাইয়া ভাইয়া বলে গলা ফাটায় তাকে কখনো ভালোবাসার কথা বলা যায়? তাকে ভালোবাসাটাও তো অন্যায়। আর আমি সে অন্যায়ই করেছিলাম। আজকে সেই গল্পই বলছি। ভালো লাগতো খুব ওকে কিন্তু কখনো মুখ ফুটে বলা হয় নি পাছে ওর মনে একটা বিরূপ ধারনা জমে এই ভেবে যে যাকে বড় ভাইয়া বলে ভাবলাম এতদিন আজ সে ও ভালোবাসার কথা বলছে!!! তাই আর কখনো বলা হয়নি ভালোবাসার কথা। ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হতো। আমি রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে বসে থাকতাম,ও কলেজে যেত। কিংবা আমি যখন বিকেলে বাসার সামনের গলিতে ক্রিকেট খেলতাম,ও কোচিং থেকে ফিরতো। যতবার দেখা হতো ততবারই কথা হতো। ও নিজে থেকেই বলতো। এই যেমন "কি ভাইয়া, আজকে কি হাফ সেঞ্চুরি হবে?" অথবা "রেড টি শার্টে তো আপনাকে দারূণ লাগে ভাইয়া।" আমি ও হেসে উত্তর দিতাম। মাঝেমাঝে মজা করতাম,এই যেমন, "কি প্রতিদিনই কি তোমার কোচিং থাকে? নাকি কারো সাথে দেখা করতে যাও।" ভালো একটা সম্পর্কই ছিল বলা চল...